দেশে বৃদ্ধির দিনই বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম

2 Min Read

দেশে জ্বালানির তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানো হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান যুদ্ধ ঘিরে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে তেলের দাম।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা ও পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২১ সেপ্টেম্বর থেকে এ দাম কার্যকর হবে।

জ্বালানি বিভাগ বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে।

জ্বালানি বিভাগ মূল্যবৃদ্ধির জন্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধকে দায়ী করার পর সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম ১০ সেপ্টেম্বরের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে।

আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ১৬ ডলার বা ২ দশমিক ০৮ শতাংশ কমে ১০১ দশমিক ৭১ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ২ দশমিক ১৫ ডলার বা ২ দশমিক ১৪ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ১৫ ডলারে নেমে আসে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার রয়টার্সকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ প্রশমনে চলতি সপ্তাহে কূটনৈতিক পথ খোলার আশায় তেলের দামে থাকা ঝুঁকির একটি অংশ কমে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।’

তবে এই আশাবাদ কতটা বাস্তবে রূপ নেবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, এই আশা কতটা যৌক্তিক, সেটি অন্য প্রশ্ন।

সৌদি আরবের জ্বালানি সরবরাহ আংশিকভাবে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনাও তেলের বাজারে বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে।

Share This Article